নিজস্ব প্রতিনিধি : বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুয়া এলাকায় ভোটেকোশী নদীতে হড়পা বান নামে। সঙ্গে নেমে আসে কাদা-মাটির স্রোত। সূত্রের খবর, নেপালে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দিল্লি। একই সঙ্গে নেপাল সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতেও সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সেরে নিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরী। সব জেলাকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, সারণ, মুজফ্ফরপুর ও বৈশালীর মতো ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলিতে বাঁধের উপর সর্বক্ষণ নজরদারি চালাতে বলেছেন তিনি।
দেশের পর্যটন পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক-সহ অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটকের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাঁদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতীয় (৩৭ জন অনাবাসী-সহ) রয়েছেন। মৃত বা আহতের সংখ্যা এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে এলাকাটিতে ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে প্রাথমিক তথ্যের বরাতে পার্লামেন্টকে জানিয়েছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল।
নেপালে হড়পা বান বিপর্যয়ের খবর পেয়ে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নেপালে বিপর্যয়ের কবলে পড়েছেন শতাধিক ভারতীয় পর্যটকও। কৈলাস-মানস সরোবর দর্শনে গিয়েছিলেন তাঁরা। পড়শি দেশে আটকে পড়া যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের তথ্য ও খবরাখবর নেওয়ার জন্য ভারতের বিদেশ মন্ত্রক দু’টি জরুরি নম্বর প্রকাশ করেছে— +৯৭৭৯৮৫১৩১৬৮০৭ এবং +৯৭৭৯৭০৯১০৭৫০০। নেপালের বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ভারতীয়দের সহায়তা এবং তথ্যের জন্য ওই নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।