নিজস্ব প্রতিনিধি : পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের সুবিধা পৌঁছে দিতে সেবা সেতু অভিযান কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে ‘সেবা সেতু অভিযান’। তিন দিনের বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত যোগ্য মানুষদের সহায়তা করা হবে।
প্রত্যেক ব্লকে এই শিবির হবে এবং পরবর্তীতে তা বুথ স্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। আবেদনপত্র পূরণ, ডিজিটাল প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করা হবে।
আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্যভাতা সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের যোগ্য উপভোক্তারা যাতে কোনও কারণে সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করার জন্য দলীয় কর্মীরা কাজ করবেন।
পাশাপাশি এদিন রাজ্য সভাপতি অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রাজনৈতিক কারণে বা রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার ফলে যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি বিশেষভাবে পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা এবং কিষাণ সম্মান নিধি-র প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে যোগ্য মানুষ যাতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর মাধ্যমে সেই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
শিশুদের জন্য বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি এবং বিভিন্ন সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। দেশের বিপুল সংখ্যক শিশুকে এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী প্রতিভাকে উৎসাহিত করতে কলকাতা সহ পাঁচটি শহরে সায়েন্স কংগ্রেস আয়োজন করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকদের এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের চারুকলা কলেজগুলিকেও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হবে। তাঁদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রা এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় উদ্যোগকে মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে।
একই সঙ্গে এই এক মাসকে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সেবামূলক কাজে যুক্ত করার একটি বৃহৎ সামাজিক কর্মসূচিতে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। বুথ স্তর পর্যন্ত দলের কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যোগ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করবেন।