নিজস্ব প্রতিনিধি : নেপালে ত্রিশূলী নদীর উপর বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে। রাসুয়া এবং নুয়াকোট জেলা মিলিয়ে নদীতে মোট ন’টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপ এতটাই বেশি জমে গিয়েছে যে থার্মাল ড্রোন দিয়েও কিছু শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অন্তত ৬০ মিটার উঁচুতে কংক্রিটের ভবনে বন্যা আঁচড় কাটতে পারবে, প্রথমে ভাবেননি প্রধানশিক্ষক রাজেন্দ্র।
নেপালের ত্রিশূলী উপত্যকায় স্কুলের প্রধানশিক্ষকের বুদ্ধিতে বেঁচে গেল তারা। উপস্থিত বুদ্ধির জোরে এবং দ্রুত তা কার্যকর করে ১৬৪৩ জন পড়ুয়াকে বাঁচালেন ত্রিভুবন ত্রিশূলী সেকেন্ডারি স্কুলের প্রধানশিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি।বুধবার সকাল ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ রাজেন্দ্র প্রথম সতর্কবার্তা পান।
অন্তত ৬০ মিটার উঁচুতে কংক্রিটের স্কুলে বন্যা আঁচড় কাটতে পারবে বলে প্রথমে ভাবেননি রাজেন্দ্র। ভেবেছিলেন, স্কুলভবনটি বেঁচে যাবে। তখন তাঁর স্কুলে ১৬৪৩ জন পড়ুয়া উপস্থিত।প্রবল স্রোতে তিনি ভেসে যান। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে যাওয়ার পর স্কুলের দরজা বন্ধ করতে গিয়েছিলেন এক সাফাইকর্মী। তিনিও বন্যার স্রোতে ভেসে যান।স্কুলভবন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রাণ রক্ষা করতে পারায় স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নায়ক হয়ে উঠেছেন রাজেন্দ্র।