মোল্লা জসিমউদ্দিন, এই মুহুর্তে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উত্তাল দেশ। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে রাজধানীর পথে বিক্ষোভে নেমেছে ছাত্র-জনতাদের একাংশ । পুলিশ-আন্দোলনকারীদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ হয়েছে।ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে নিট পরীক্ষায় নম্বর কারচুপির অভিযোগে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে।এক পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৭০ নম্বর গোলযোগের অভিযোগ ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির বিরুদ্ধে।
মামলাকারীর দাবি, নিট পরীক্ষার অ্যানসার কি -এর সঙ্গে ওএমআর -এর মিল নেই। নিট পরীক্ষায় তাঁর ৬৫৯ থেকে ৬৬১ নম্বর পাওয়ার কথা। কিন্তু ১৬ জুলাই ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি -র ফল প্রকাশের পর দেখা যায় নিট-ইউজি পরীক্ষায় তিনি মাত্র ২৮৯ নম্বর পেয়েছেন।নিটের আয়োজক সংস্থা এনটিএ -র কাছে একাধিকবার জানানো সত্ত্বেও, কোনও লাভ হয়নি বলেই দাবি মামলাকারীর। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন ওই পরীক্ষার্থী।
পুনরায় ওএমআর যাচাইয়ের আবেদন করেন ওই পরীক্ষার্থী।এই মামলা গ্রহণ করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির কাছে জবাব চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।, বৃহস্পতিবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দেন, আগামী মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ওই দিন পরীক্ষক সংস্থাকে জানাতে হবে, কেন নম্বরে এমন বিস্তর গোলযোগ হল। বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, “কাউন্সেলিং চলছে। তাই আদালত চাইছে দ্রুত নিজেদের বক্তব্য জানাক এনটিএ”। ওই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করলেন হুগলির পরীক্ষার্থী। তিনি তাঁর ওএমআর পুনরায় যাচাই করানোর আবেদনও জানিয়েছেন।
এই মামলায় দ্রুত ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-র জবাব চাইলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তিনি জানিয়েছেন, দেশে ডাক্তারিতে ভর্তির কাউন্সেলিং চলছে। তাই দ্রুত আদালতে বক্তব্য জানাতে হবে এনটিএ-কে। আগামী মঙ্গলবার মামলার পরবর্তী শুনানি।মামলাটি করেন হুগলির ডানকুনির পরীক্ষার্থী শ্রেয়া মহান্তি।
মামলাকারীর দাবি, ২১ জুনের পরীক্ষায় তাঁর সিরিয়াল নম্বরের 'আনসার কি'-র সঙ্গে তাঁর ওএমআরের কোনও মিল নেই। মামলাকারীর দাবি, 'আনসার কি' অনুযায়ী তাঁর পাওয়ার কথা ছিল ৬৫৯ থেকে ৬৬১ নম্বর। কিন্তু এনটিএ-র প্রকাশিত ফলে দেখা গিয়েছে, তিনি মাত্র ২৮৯ নম্বর পেয়েছেন। 'আনসার কি'-র সঙ্গে প্রায় ৩৭০ নম্বরের ফারাক। এই নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।এখন দেখার আগামী মঙ্গলবার কি জানায় এনটিএ।