নিজস্ব প্রতিনিধি : নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে হিমালয়ের একটি দুর্গম উপত্যকায় আচমকা শুরু হয় ভয়াবহ বিপর্যয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপ এতটাই বেশি জমে গিয়েছে যে থার্মাল ড্রোন দিয়েও কিছু শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগকেই এখনও উদ্ধার করা যায়নি। তাঁদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা তত ক্ষীণ হচ্ছে। রবিবার বিকেল পর্যন্ত নেপালের বিপর্যস্ত এলাকাগুলি থেকে মোট ৭৮১ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ২৫০২ জন।

নেপালে ত্রিশূলী নদীর উপর বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে। রাসুয়া এবং নুয়াকোট জেলা মিলিয়ে নদীতে মোট ন’টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সুড়ঙ্গগুলিতে আটকা পড়ে যান প্রায় ৯০০ শ্রমিক। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে সাড়ে তিনশোর কিছু বেশি শ্রমিককে উদ্ধার করা গেলেও বাকিদের কোনও সন্ধান মেলেনি। অন্তত ৫৩৭ জন শ্রমিকের কোনও খবর মেলেনি।

এরই মধ্যে, কত জন সেখানে আটকে রয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। নেপাল সেনার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ভিতরে অন্তত ৩৫ জন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তবে এই সংখ্যা প্রায় ২০০-র আশপাশে হতে পারে বলে অনুমান করছে নেপাল পুলিশ। নেপালি সেনার মুখপাত্র রাজারাম বাসনেট বলেন, “একটি জায়গায় গর্ত খোঁড়ার পর আমরা প্রায় সাত মিটার ব্যাসের একটি সুড়ঙ্গ দেখতে পাই। সেটির ভিতরে জলের স্তর অনেকটা উপর পর্যন্ত উঠে এসেছিল।”

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের দফতর জানাচ্ছে, আপাতত ওই সুড়ঙ্গমুখকে আরও চওড়া করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে বলেন্দ্রের দফতর।