সংবাদ ভারত ডেক্স | ১ লা নভেম্বর ২০২৬ : মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ঠাকুরনগরে প্রথম সফরেই কার্যত ‘কল্পতরু’ হয়ে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী। মতুয়া মহাতীর্থে নতুন মন্দির থেকে বারুণী মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়া, আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরি, সব কিছুর দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার। সিএএ-তে মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঠাকুরনগরের দীর্ঘ ঐতিহ্য বজায় রাখার অঙ্গীকারও করলেন মুখ্যমন্ত্রী l এককথায় মুখ্যমন্ত্রীর বার্তাগুলি হল :
১)আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সিএএ-র অধীনে সমস্ত আবেদনকারীর শুনানি শেষ করে শংসাপত্র প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
২)মতুয়া বোর্ড পুনর্গঠন করে মতুয়াদের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। আপনারা যে কোনও প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন। নিশ্চিত থাকুন। কাজ হয়ে যাবে।
৩) ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মতুয়া মহিলাদের জন্য 'অন্নপূর্ণা যোজনা'-র আওতায় প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
৪) ৬০ বছরের ঊর্ধ্বের মতুয়া প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেবে রাজ্য।
৫) মতুয়াদের ঐতিহ্যবাহী বারুণী মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়া এবং মতুয়া মহাতীর্থে নতুন মন্দির তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
৬) মতুয়া সম্প্রদায়ের জন্য তৈরি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যেন তাঁরা সঠিকভাবে পান, তা তদারকি করতে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে (CMO) একজন নির্দিষ্ট আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
৭) ঠাকুরনগরকে একটি আলাদা পুরসভা (Municipality) হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী l
অন্যদিকে, মতুয়াগড় ঠাকুর নগর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিশানা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী l "বিগত সরকার মতুয়াদের জন্য কিছু করেনি" l
"আমি বুঝেছিলাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে সরাতে হবে, না হলে মতুয়া সমাজ বিলুপ্ত হয়ে যেতো" l
"আমি যদি বিগত সরকারকে সরাতে না পারতাম, এই রাজ্য গ্রেটার বাংলাদেশ হয়ে যেত।" সবমিলিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব, সামাজিক সুরক্ষা এবং সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও প্রতিশ্রুতির আশ্বাস দিয়েছেন।