নিজস্ব প্রতিনিধি : বুধবারের নির্দেশিকায় বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন, উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদের রক্তপরীক্ষার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। পুর এলাকাগুলির পাশাপাশি জেলাস্তরে ডেঙ্গি মোকাবিলায় কী কী করণীয়, তার কার্যপদ্ধতি স্থির করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে পর্যালোচনা বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু-নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

আক্রান্তদের জন্য স্বাস্থ্য ভবনের পরামর্শ :
১)জেলা, ব্লক বা পুরসভা এলাকায় জ্বরের প্রকোপ, ‘হটস্পটে’র সন্ধানে চিকিৎসা শিবির।
২) রিপোর্টে কী এল তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীকে জানাতে হবে।
৩) রক্তপরীক্ষার রিপোর্টে সিবিসি, পিসিভি’র পাশাপাশি প্লেটলেটের মাত্রার উল্লেখ থাকতে হবে।
৪) প্লেটলেটের সংখ্যা ৫০ হাজারের নীচে হলে স্লাইড মেথডে রিপোর্টে সুনিশ্চিত করার নির্দেশ
৫) জ্বরের প্রকোপ বাড়লে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চালু হবে ‘ফিভার ক্যাম্প’।
রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭,৬০০-রও বেশি। এ বার সেই সংখ্যা প্রায় ৪,০০০। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘হইহই, গেল-গেল রব তোলার কোনও কারণ নেই।’’ ডেঙ্গির পাশাপাশি আর এক মশাবাহিত রোগ ম্যালেরিয়া নিয়েও আতঙ্ক না-ছড়ানোর আবেদন জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, মুর্শিদাবাদের নওদা, নদিয়ার চাকদহের মতো ব্লকে এখনও ডেঙ্গি রয়েছে। তাঁর নির্দেশ, ‘‘নভেম্বর পর্যন্ত পরিস্থিতির উপর নজর রাখা উচিত। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আশাদিদিরা যাতে সামান্য জ্বর বলে অবহেলা না করেন, বিনামূল্যে যাতে টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’’ ডেঙ্গি সংক্রান্ত কোনও তথ্য আড়াল করা হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।