বসিরহাট : রাজ্যের অন্যতম বড় দুর্গোৎসব পালিত হয় বসিরহাট শহরে। প্রতি বছরই শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় জমে। এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশ কয়েকটি নতুন পুজোর সংখ্যা বেড়েছে। ফলে দর্শনার্থীদের আনাগোনাও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পুজোর আনন্দ ও উৎসবের পরিবেশ যাতে কোনওভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সেই লক্ষ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে বসিরহাট পুলিশ প্রশাসন।
পুজোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার অলকনন্দা ভাওয়াল। তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি হেডকোয়ার্টার দীপাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ও ডিএসপি ট্রাফিক সহ পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এদিন পুলিশ আধিকারিকরা বাইক র্যালি করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুজো মণ্ডপে পৌঁছান। জাতীয় পাঠাগার ব্যায়ামপীঠ, প্রান্তিক ও সবুজ সংঘের মতো একাধিক পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন তারা। মণ্ডপগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের যাতায়াত এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন পুলিশ আধিকারিকরা। পুজোর দিনগুলিতে হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগম হয় বসিরহাটের বিভিন্ন মণ্ডপে।
সেই বিপুল জনসমাগম সামাল দিতে পুলিশি প্রস্তুতি কতটা কার্যকর, তা সরেজমিনে পর্যালোচনা করতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ সুপার সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে এভাবে শহরের রাস্তায় বাইক নিয়ে পরিদর্শন করতে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যেও পুজোর নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা ও আস্থা বাড়তে দেখা যায়। নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে আগেভাগেই নিরাপত্তার প্রস্তুতি জোরদার করছে বসিরহাট পুলিশ প্রশাসন।