সরকারি চিকিৎসকদের কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। "সরকারি হাসপাতালে ডিউটি চলাকালীন প্রাইভেট প্র্যাকটিস চলবে না।" না পোষালে চাকরি ছেড়ে দিন। জনগনকে দেখার জন্য মাইনে দিচ্ছে আপনাকে। জনগনের ট্যাক্সের টাকায় মাহিনা হয়। আপনি সরকারি হাসপাতালে থাকার জন্য বেতন পান। ভাববেন না আপনারা চ্যারিটি করছেন। অনেক তরুণ চিকিৎসা বেসরকারি হাসপাতালে নিজেদের কে ব্যস্ত রাখছে। আর সেখানে বসে তারা সরকারি হাসপাতালে রোগীদের লম্বা লাইনে তৈরী করছে।
বারাসাত মেডিকেল কলেজের পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিজ্ঞতা কথা জানালেন, বারাসাত মেডিকেল কলেজে গিয়ে সেখানে দেখলাম স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সেখানে উপস্থিত নেই, শুনলাম তিনি প্রাইভেট হাসপাতালে গেছেন সিজারিয়ান সেকশন ডেলিভারি করাতে। এটা অন্যায়, আমি যেমন চিকিৎসকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তেমনি রোগীদেরও স্বাস্থ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যে হাল ফেরাতে জনগনকে সুষ্ঠু পরিষেবা প্রদান করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসক শিক্ষকদের উদ্দেশ্য বলেন, শিক্ষক চিকিৎসকরা হাসপাতালে সপ্তাহে অন্তত ৯৬ ঘন্টা ডিডিটি দিন। যদি হাসপাতালে সপ্তাহে তিন চার দিন না থাকেন তাহলে আপনি রোগীদের সাথে অবিচার করছেন, ছাত্রদের সঙ্গে অবিচার করছেন। আপনি সরকারি টিচিং হাসপাতালের একজন প্রফেসর আপনার মেডিকেল কলেজেই থাকার কথা।
শিক্ষক চিকিৎসকদের কাছে আবেদন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আপনারা আপনাদের পেশার সম্মান রাখুন। অনেক ডাক্তার প্রফেসর লেখার সুযোগ পান না নিজের নামের আগে। নিজের নাম এবং ডিগ্রির প্রতি সুবিচার করুন। কিছু ডাক্তার নিজেদের নার্সিংহোমে নোঙ্গর করে রেখে দেন, সেখানে সরকারি হাসপাতালের রোগীদের দেখেন।