কলমে: স্বামী আত্মভোলানন্দ পরিব্রাজক
আমাদের মূল্যবান সুন্দর মনুষ্য জীবনে, সত্য সনাতন ধর্মের প্রাণপুরুষ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব তিথি "জন্মাষ্টমী" যা আমাদের শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী মহোৎসব নামে পরিচিত। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব বা জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়। আর মাঘ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পূর্ণব্রহ্ম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ইহধাম ত্যাগ করে অন্তর্ধান করেন। সেই দিনই শ্রীকৃষ্ণের অর্ন্তধানের দিন কলির আবির্ভাব।
আর এই কলিযুগের অবতার জগৎগুরু স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের আবির্ভাব ও ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দ পুণ্যময়ী মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে৷ তিনিও সব অশুভ শক্তিকে পরাস্ত করে সমাজকে কলুষমুক্ত করার চেষ্টা করে গেছেন, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত শুভবুদ্ধির জয়ের চেষ্টা করে গেছেন। হিন্দুর সংহতি চেতনা জাগাবার জন্যে স্বামী প্রণবানন্দ ও বলেছিলেন -"হিন্দুর বিদ্যা বুদ্ধি, অর্থ ও সামর্থ যথেষ্ট আছে, কিন্তু নেই সংহতি শক্তি। এই সংহতি শক্তি জাগিয়ে দিলে হিন্দু আবার জাগ্রত হবে"। আচার্য স্বামী প্রণবানন্দ বলেছিলেন, আমি হিন্দুকে "হিন্দু হিন্দু" জপ করাব, তবেই তাদের মধ্যে মহাশক্তির সঞ্চার হবে।
আচার্য স্বামী প্রণবানন্দ বলেছিলেন, "বিরাট ভারতীয় জাতটা অসাড়, অবশ হয়ে আত্মভোলা হয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। আজ সময় এসেছে হিন্দুকে হিন্দু বলে ডাক দেবার।” হিন্দুর সংহতি, হিন্দু ধর্মের জাগরণের লক্ষ্যে স্বামী প্রণবানন্দও তাঁর জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চেষ্টা করে গেছেন।