সঞ্জয় কুমার দোলুই : হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচি কেন্দ্র সরকারের উদ্যোগে সারা দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে। ২০২৬ সালে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা কেন্দ্র সরকারের সাথে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যসরকারের যৌথ উদ্যোগে তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচি পালন করছে।হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা শুরু হয়েছে ৯ই আগস্ট থেকে ১৭ ই আগস্ট পর্যন্ত। ১৫ ই আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে ভারতবাসীর দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি ভালোবাসা হল হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা। প্রতিটি বাড়ি বাড়ি তিরঙ্গা উত্তোলন। ভারত মাতার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। প্রতিটি বাড়ি, অফিস আদালত, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচি মূল উদ্দেশ্য। দেশপ্রেম উদ্বুদ্ধ করা প্রতিটি নাগরিক কে, জাতীয়তাবাদ গড়ে তোলা।

পশ্চিমবঙ্গে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ৭ ই আগস্ট নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ঘর তিরঙ্গা যাত্রা শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়। সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচি পালন করেন। হাজার হাজার কর্মী সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাথে অংশ নেয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পাশাপাশি জেলায় জেলায় হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা শুরু হয়েছে। জেলায় জেলায় বিজেপি বিধায়ক রা হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচি পালন করছে সাধারণত মানুষ কে সাথে নিয়ে।

আজ ১০ ই আগস্ট কলকাতা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা বিশাল বড় র্যালি হয়। প্রায় ৭০ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেয় জাতীয় পতাকা নিয়ে বন্দেমাতরম্ ধ্বনিতে মুখরিত হয় ময়দান চত্বর। আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় ঘোষণা করেছিলেন এই হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রায় সাধারণ মানুষ কে অংশ গ্রহণ করার জন্য ।রেডরোডে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মূর্তি পাদদেশ থেকে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে হাজার হাজার মানুষের সাথে হেঁটে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভিক্টোরিয়ার সামনে গিয়ে শেষ হয় তিরঙ্গা যাত্রা। 
সমবেত বন্দেমাতরম্ গেয়ে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা অনুষ্ঠানে সূচনা কেন মুখ্যমন্ত্রী। হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রার সভা মঞ্চ থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, জনগন কে দেশ প্রেম উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিটি বাড়িতে তিরঙ্গা উত্তোলন করার কথা বলেন। তিরঙ্গা যাত্রার সভা মঞ্চ থেকে রাখি উৎসব কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। জনগণের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে রাখি উৎসব ঘোষণা করেন।