কলমে : শ্রী রাধামাধব মুখার্জী
বাঙালির মননে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তিটি বড় বেশি নিখুঁত, বড় বেশি গুরুগম্ভীর। সমাজসংস্কারক, বর্ণপরিচয়ের স্রষ্টা, কিংবা বিধবা বিবাহের প্রবর্তক হিসেবে তাঁর যে বিপুল কীর্তি, তার আড়ালে অনেক সময়ই ঢাকা পড়ে যায় এক আশ্চর্য মানবিক আখ্যান। সেই আখ্যান এক নিরলস চিকিৎসকের, এক অকৃত্রিম সেবকের। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মানুষের যদি সত্যিকারের সদিচ্ছা থাকে, তবে শত প্রতিকূলতার মাঝেও যে প্রান্তিক, অবহেলিত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ানো যায়। বিদ্যাসাগর তাঁর জীবনের শেষ পর্বে সেই সত্যকেই এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছিলেন। প্রথাগত ডিগ্রির তোয়াক্কা না করে, কেবল প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর ভালোবাসার জোরে তিনি দরিদ্রের ‘ডাক্তারবাবু’ হয়ে উঠেছিলেন।
উনিশ শতকের বাংলার দিকে ফিরে তাকালে আমরা দেখতে পাই এক অদ্ভুত বৈপরীত্য। একদিকে আধুনিক শিক্ষার আলো, অন্যদিকে দারিদ্র্য আর মহামারির অন্ধকার। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিদ্যাসাগর গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন, এক বাটি ভাতের অভাব আর এক শিশি ওষুধের অভাব - দুটোই আসলে এক। অসুস্থ, নিরন্ন মানুষের কাছে বড় বড় আদর্শের কথা বলাটা একধরনের নিষ্ঠুরতা। মানুষের প্রথম প্রয়োজন সুস্থ হয়ে বাঁচার অধিকার।
গবেষক বিনয় ঘোষের ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালী সমাজ’ গ্রন্থে কিংবা শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্নের স্মৃতিকথায় আমরা দেখতে পাই, সমাজসংস্কারের পাশাপাশি মানুষের শারীরিক যন্ত্রণার উপশম ঘটাতে তিনি কতটা মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।
নিজের শারীরিক অসুস্থতার সূত্র ধরেই তাঁর হোমিওপ্যাথির সঙ্গে পরিচয় ও ভালোবাসা। ১৮৬৬ সাল নাগাদ ফরাসি হোমিওপ্যাথ ডা. বেরিনি কলকাতায় আসেন এবং তাঁর কাছে হোমিওপ্যাথি শেখেন সে যুগের অন্যতম প্রচারক রাজেন্দ্রলাল দত্ত। রাজেন্দ্রলালের চিকিৎসায় বিদ্যাসাগরের দীর্ঘদিনের দুরারোগ্য মাথাধরা যেমন সেরে যায়, তেমনি বন্ধু রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জটিল অন্ত্রের রোগও আরোগ্য লাভ করে। একজন তীক্ষ্ণ যুক্তিবাদী ও আধুনিকমনস্ক মানুষ হিসেবে বিদ্যাসাগর বুঝতে পেরেছিলেন, তৎকালীন ব্যয়বহুল অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার সুযোগ গরিব মানুষের নেই। তাদের বাঁচাতে পারে একমাত্র স্বল্পমূল্যের অথচ কার্যকর এই হোমিওপ্যাথি। শুধু এইটুকু বুঝেই তিনি থেমে থাকলেন না। যিনি সংস্কৃত শাস্ত্র ঘেঁটে পণ্ডিতদের পরাস্ত করেছিলেন, তিনিই এবার কিনে আনলেন ইংরেজি ‘অ্যানাটমি’, ‘ফিজিওলজি’ আর ‘ম্যাটিরিয়া মেডিকা’-র মোটা মোটা বই। প্রৌঢ় বয়সে নতুন করে শুরু হলো তাঁর এক আশ্চর্য ছাত্রজীবন। নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে সম্বল করে তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের জটিল তত্ত্বগুলো আয়ত্ত করলেন। উদ্দেশ্য বিনা চিকিৎসায় ধুঁকতে থাকা অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো।
সে যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানী ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকার ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মহেন্দ্রলাল প্রথমে হোমিওপ্যাথির ঘোর বিরোধী থাকলেও, বিদ্যাসাগরের সঙ্গে দীর্ঘ তর্কবিতর্ক এবং তাঁর অকৃত্রিম উৎসাহই তাঁকে হোমিওপ্যাথি নিয়ে নতুন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। কোনো রোগীর জটিল উপসর্গ দেখলে বিদ্যাসাগর তাঁর সঙ্গে রীতিমতো ডাক্তারি পরিভাষায় আলোচনা করতেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ডাঃ সরকার বিদ্যাসাগরের রোগ নির্ণয়ের অদ্ভুত দক্ষতা এবং নিখুঁতভাবে নাড়ি দেখার ক্ষমতা দেখে বিস্মিত হতেন। শুধু তা-ই নয়, চিকিৎসার মান নিয়ে বিদ্যাসাগর কোনো আপস করতেন না। গরিব মানুষকে বিনা পয়সায় ওষুধ দিচ্ছেন বলে সস্তা ওষুধের ব্যবস্থা করবেন, এমন মানুষ তিনি ছিলেন না। নিজের খরচে সুদূর জার্মানি ও আমেরিকা থেকে তিনি একেবারে খাঁটি ও উচ্চমানের হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আনিয়ে রাখতেন। তাঁর কাছে থাকা সেই বিখ্যাত ওষুধের বাক্সটি সেকালের অনেক বড় বড় চিকিৎসকের কাছেও ঈর্ষণীয় ছিল।
বিদ্যাসাগর হোমিওপ্যাথিকে নিছক একটি চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে দেখেননি, তিনি একে মানবসেবার এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাঁর এই সেবার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হয়ে আছে ১৮৬৯ সালের বর্ধমানের ম্যালেরিয়া ও কলেরার মহামারি। মৃত্যু যখন সেখানে প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, তখন কলকাতার নিরাপদ আশ্রয়ে বসে তিনি কেবল ত্রাণের টাকা পাঠিয়ে দায় সারতে পারতেন। কিন্তু তিনি বিদ্যাসাগর। তিনি সোজা গিয়ে দাঁড়ালেন মহামারির কেন্দ্রস্থলে, খুললেন দাতব্য চিকিৎসাকেন্দ্র। সেখানে চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ডা. গঙ্গানারায়ণ মিত্র যখন খরচ কমানোর জন্য দরিদ্র রোগীদের দামি ‘কুইনাইন’-এর বদলে অপেক্ষাকৃত সস্তা ‘সিঙ্কোনা’ দেওয়ার প্রস্তাব দেন, তখন বিদ্যাসাগর তীব্র আপত্তি জানিয়ে বলেছিলেন—“ধনী ও দরিদ্রের প্রাণের মূল্য সমান।”
গরিব মানুষ বলে তাদের চিকিৎসায় নিম্নমানের ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না—এই ছিল তাঁর অবিচল নীতি। বর্ধমানে তাঁর এই সেবার রূপটি কতটা বৈপ্লবিক ছিল, তা সেকালের সমাজব্যবস্থার দিকে তাকালে বোঝা যায়। এক উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণ পণ্ডিত, যাঁর পাণ্ডিত্যকে সমকালীন সমাজ কুর্নিশ করত, তিনি কলেরায় আক্রান্ত তথাকথিত 'নিচুজাত'-এর রোগীর শিয়রে বসে নিজের হাতে তাঁদের মলমূত্র পরিষ্কার করছেন! সংক্রামক রোগীর নিজের বাড়ির লোকও যখন মৃত্যুভয়ে দূরে পালাত, বিদ্যাসাগর তখন মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সেই অস্পৃশ্যতার বেড়াজাল চিরতরে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি জানতেন, জ্বরে ধুঁকতে থাকা একজন কর্মহীন মানুষকে শুধু ওষুধ দেওয়াটা অর্থহীন। তাই ওষুধের পাশাপাশি তিনি নিজের হাতে তাদের পথ্য, পুষ্টিকর খাবার ও অর্থ পৌঁছে দিয়েছেন, এমনকি প্রায় দুই হাজার টাকা ব্যয় করে দরিদ্রদের বস্ত্র বিতরণও করেছেন। চিকিৎসা আর সামাজিক ত্রাণের এমন অপূর্ব মেলবন্ধন সে যুগে ছিল অভাবনীয়।
জীবনের একেবারে শেষ পর্বে, কলকাতার শিক্ষিত সমাজের ভণ্ডামি আর পরিজনদের স্বার্থপরতায় ক্লান্ত হয়ে তিনি যখন ঝাড়খণ্ডের কর্মাটাঁড়ে আশ্রয় নিলেন, তখন তাঁর এই সেবাব্রত এক মহাকাব্যিক রূপ পেল। তখন ১৮৭৩ সাল। রুক্ষ লালমাটি আর শাল-পিয়ালের জঙ্গলে ঘেরা সেই প্রান্তরে তাঁর বাড়ি ‘নন্দন কানন’ হয়ে উঠল গরিব সাঁওতালদের এক অঘোষিত হাসপাতাল। ভাই শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্নের বিবরণ থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল দশটা পর্যন্ত তাঁর বারান্দায় ভিড় জমাত ধুলোমাখা, রুগ্ন মানুষগুলো। আর একসময়ের রাশভারী পণ্ডিত মানুষটি পরম স্নেহে তাদের নাড়ি টিপে বসে থাকতেন। বিনামূল্যে ওষুধের পাশাপাশি পথ্য হিসেবে তাদের হাতে তুলে দিতেন সাবু, বাতাসা ও মিছরি। এমনকি গরিব রোগীদের দ্রুত সুস্থ করে তোলার জন্য তিনি কলকাতা থেকে সেযুগে বড়লোকদের একচেটিয়া মহার্ঘ্য ফল—বেদানা, আঙুর বা আপেল ঝুড়ি ঝুড়ি আনিয়ে নিজের হাতে সাঁওতালদের খাইয়ে দিতেন।
কিন্তু তাঁর সেবা কেবল বারান্দায় বসে থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। যে রোগী দুর্বলতার কারণে হেঁটে আসতে পারত না, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বিদ্যাসাগর নিজেই ওষুধের বাক্স আর খাবার হাতে তিন মাইলেরও বেশি লালমাটির পথ পেরিয়ে তার কুঁড়েঘরে পৌঁছে যেতেন। একদিন এক সাঁওতাল কিশোরের নাক দিয়ে অবিরাম রক্ত পড়ার খবর পেয়ে তিনি পাথরের একটি বাটি ও ওষুধ নিয়ে প্রায় দেড় মাইল পথ হেঁটে সেই গ্রামে গিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলেন।
তিনি কিন্তু হাতুড়ে চিকিৎসক ছিলেন না। তাঁর সংরক্ষিত ৯৬ পাতার একটি নিজস্ব ‘পেশেন্ট রেজিস্টার’ বা চিকিৎসা-ডায়েরিতে দেখা যায়, ১৮৮০ থেকে ১৮৮৩ সালের মধ্যে তিনি ইংরেজিতে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে প্রতিটি রোগীর নাম, উপসর্গ, ওষুধের মাত্রা এবং রোগের অগ্রগতি নিখুঁতভাবে লিখে রাখতেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ এতটাই সূক্ষ্ম ছিল যে, সহজ-সরল জীবনে অভ্যস্ত সাঁওতালদের শরীরে যে খুব অল্প মাত্রার ওষুধেও দ্রুত কাজ হয়, তাও তিনি লক্ষ্য করেছিলেন।
মানুষের জীবন তাঁর কাছে কতটা মূল্যবান ছিল, তার সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী প্রমাণ মেলে ৬৪ বছর বয়সী সাঁওতাল বৃদ্ধ অশ্বিনী হেমব্রমের ঘটনায়। অশ্বিনী তখন মরণাপন্ন কলেরায় আক্রান্ত। ঠিক সেই সময়েই মনীষী রাজনারায়ণ বসু দেওঘরে এসে বিদ্যাসাগরের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু বিদ্যাসাগর যেতে পারেননি। চিঠি লিখে রাজনারায়ণ বসুকে তিনি জানিয়েছিলেন, অশ্বিনী হেমব্রমকে বাঁচানোর জন্য তাঁকে দিন-রাত রোগীর শিয়রে বসে থাকতে হচ্ছে, তাই এই মুহূর্তে তাঁর পক্ষে কোথাও যাওয়া অসম্ভব। একজন নামহীন, দরিদ্র আদিবাসী বৃদ্ধের প্রাণ বাঁচানোই সেদিন তাঁর কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে জরুরি কাজ হয়ে উঠেছিল। কর্মাটাঁড়ের ওই সাঁওতালরা জানত না ‘বিধবা বিবাহ’ কী, তারা বোঝেনি সমাজসংস্কারের জটিল তত্ত্ব। তারা শুধু জানত, তাদের যেকোনো বিপদে ওই সাদা চাদর পরা মানুষটি এসে ঠিক তাদের হাত ধরবেন। তাদের কাছে তিনি ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই ভগবান, তাদের অতি আপন ‘ডাক্তারবাবু’।
ইতিহাসের পাতা ওল্টালে আমরা অনেক দাতার খোঁজ পাই, যাঁরা দূর থেকে মানুষের দিকে করুণার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বিদ্যাসাগর মানুষকে দয়া করেননি, তিনি মানুষের সমান হয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কলকাতার কোলাহল থেকে যোজন দূরে, কর্মাটাঁড়ের ধুলোমাখা পথে ওষুধের বাক্স হাতে হেঁটে চলা এক বৃদ্ধের ওই দৃশ্যটি বাংলা সাহিত্যের যেকোনো শ্রেষ্ঠ কবিতার চেয়েও গভীর।
এখানেই বিদ্যাসাগরের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাটি বোধহয় লুকিয়ে আছে। আমরা প্রায়ই ভাবি, মানুষের উপকার করতে হলে আমাদের বিশেষ ক্ষমতা থাকতে হবে। ডাক্তার হলে চিকিৎসা করব, শিক্ষক হলে পড়াব, অনেক টাকা থাকলে দান করব, বড় সংগঠন থাকলে সমাজসেবা করব। বিদ্যাসাগর যেন ঠিক তাঁর উল্টো কথাই বলে গেছেন—যে কাজটি তুমি পারো, সেটিই দিয়ে শুরু করো।
মানুষের পাশে দাঁড়াতে কতটা সামর্থ্য দরকার? উত্তর হলো—সামর্থ্য যতটুকু আছে, ঠিক ততটুকু দিয়েই শুরু করা যায়। তিনি হাসপাতালের মালিক ছিলেন না, কিন্তু নিজের ঘরকেই চিকিৎসাকেন্দ্র বানিয়েছিলেন; তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ডাক্তার ছিলেন না, কিন্তু অসুস্থ মানুষের প্রতি দরদ থেকে নিজে পড়ে, অভিজ্ঞতা অর্জন করে মানুষের চিকিৎসা করতে এগিয়ে এসেছিলেন। কেউ তাঁকে সুযোগ করে দেবে—এই অপেক্ষায় না থেকে তিনি নিজেই সেবার পথ তৈরি করে নিয়েছিলেন। তিনি চিকিৎসাকে নিছক পেশা বানাননি; বানিয়েছিলেন মানবমুক্তির এক আশ্চর্য পথ।
সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি :
শ্রী রাধামাধব মুখার্জী পেশায় একজন একনিষ্ঠ শিক্ষক এবং নেশায় সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের রাইপুরের এই কৃতী সন্তান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়মিত লেখালেখি করছেন। ২০২৫ কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ভেতর বাহিরের গল্প’। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ‘গ্রাম বাংলা’, ‘স্বদেশ’, ‘যোগাযোগ’, ‘চালচিত্র’ ও ‘আর্য’-এর মতো একাধিক পত্রিকার সাথে যুক্ত। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৬ সালে কলকাতার আইসিসিআর (ICCR)-এ ‘সাহিত্যের কলরব’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘সাহিত্যের স্বর্ণপদক’ (সেরার সেরা সম্মাননা) এবং ২০২৪ সালে পূর্ব বর্ধমানের কুমুদ সাহিত্য গোষ্ঠী দ্বারা ‘জঙ্গলমহল রত্ন’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি ‘জঙ্গলমহল লায়ন্স ক্লাব’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে সমাজসেবামূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
Radha Madhab Mukherjee
Raipur
Bankura