নিজস্ব প্রতিনিধি : আজ ৭ ই আগস্ট আবারও রাজপথে বিক্ষোভ আন্দোলন ২৬০০০ চাকরি হারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মহাসমাবেশ করে চাকরি হারা শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের। নতুন সরকারের আমলে এই প্রথম বিক্ষোভ মিছিল তাদের। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কাছে তাদের দাবি পৌঁছে দেওয়া।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ চাকরি হারিয়ে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা আন্দোলন বিক্ষোভ করেছে কলকাতা রাজ পথ থেকে দিল্লির রাজপথে এবং রামলীলা ময়দানে। সারা রাজ্যে তাদের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ছড়িয়ে দিয়েছে পুনর্বহালের দাবিতে। দিনের পর দিন বিকাশ ভবন, এসএসসি ভবন, ধর্মতলা চত্বর, অনশন, কালীঘাট, বিধানসভা ভবন, আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল করেছে চাকরি হারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা। সম্মানের সাথে চাকরি ফিরে পাবার সব রকম চেস্টা করেছিলো যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা। বিগত সরকারের আমলে তৎকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শিক্ষামন্ত্রী, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিদের সাথে দেখা করা এবং তাদের চাকরি ফিরে পাবার জন্য কাতর আবেদন ও করেছিলো ; শুধু মাত্র নিজের পুনরায় চাকরিতে বহালের জন্য। কিন্তু কেউ কর্ণপাত করেনি। দিন দিন হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়ে চাকরি হারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা।

রাজ্যে পালাবদল হয়েছে বিজপি সরকার গঠন হয়েছে। ২৬০০০ চাকরি হারা শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা নতুন সরকারের কাছে আবেদন নিবেদন ও করেছে যোগ্যদের চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে। আজ রাজপথে নেমেছে ২৬০০০ চাকরি হারা শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা। নতুন সরকারের কাছে তাদের আবেদন মুখ্যমন্ত্রী তাদের সাথে বসে আলোচনা করে কিভাবে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া যায় সে ব্যবস্থা করুক সরকার।
প্রসঙ্গত : ২০২৫ সালে ৩রা এপ্রিল দেশের শীর্ষ আদালত রায়ে পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত ২৫ হাজার ৭৫২ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর নিয়োগ দূর্নীতি জন্য চাকরি বাতিল করে । এর ফলে ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগে নবম দশম, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক শিক্ষিকা এবং এসএসসি গ্রুপ সি এবং এসএসসি গ্রুপ ডি শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পরে। শুধু মাত্র দূর্নীতি কারণে সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়া টা বাতিল করে দেয় শীর্ষ আদালত। যার প্রভাবে বহু যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের দূর্নীতি বলি হলো বহু যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীরা।