সুজয় চ্যাটার্জি, কলকাতা : যোগ জগতের ২০ বছর সম্পূর্ণ হল ব্যারাকপুরের স্বস্তিক অষ্টাঙ্গ অ্যাকাডেমী। এই স্বস্তিক অষ্টাঙ্গ অ্যাকাডেমীর জন্ম হয়েছিল আজ থেকে কুড়ি বছর আগে ২০০৬ সালে। ১৯শে জুলাই উত্তর ২৪ পরগনা ব্যারাকপুরে সুকান্ত সদনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ১৪ তম যোগা ফেস্টিভাল কাপ প্রতিযোগিতা গৌরবময় অনুষ্ঠান। দার্জিলিং জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং জেলা বাদ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য সমস্ত জেলা থেকে প্রায় ৭০০ জন যোগাসনের প্রতিযোগী ও প্রতিযোগীদের নিয়ে রাজ্যস্তর জুড়ে একটি বিশাল যোগাসন উৎসব অনুষ্ঠিত হলো ব্যারাকপুরের স্বস্তিক অষ্টাঙ্গ অ্যাকাডেমীতে।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের মাননীয় বিধায়ক মহাশয় শ্রী কৌস্তভ বাগচী, সমাজসেবী মাননীয় বিশাল জয়সওয়াল ও মনোজ কর্মকার এবং রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকারের সহধর্মিনী আরতি সরকার। সংগীত পরিষদের বিশিষ্ট সংগীত শিক্ষিকা দেবারতি মিত্র এবং উপস্থিত ছিলেন আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তার মধ্যে একজন বিশেষ মানুষ ছিলেন যিনি হলেন ভারত বিকাশ স্কিল ফাউন্ডেশন ও মাই ভারত ফাউন্ডেশনের প্রজেক্টর অফিসার, এছাড়া আরও সনামধন্য মানুষের উপস্থিতি ছিল।
১৪ তম যোগা ফেস্টিভ্যাল কাপ ব্যারাকপুরে সুকান্ত সদনে এই অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক এবং পরিচালক মাননীয় শ্রী সুদীপ দাস মহাশয় এবং মাননীয় শুভশ্রী দাস মহাশয় তত্ত্বাবধানে এক গুণমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। কোন একজনকে বাদ দিয়ে নয়, সকল প্রতিযোগীর মধ্যেই নানান রকম গুণমুগ্ধকর প্রতিভা উপস্থাপন হলো। সেই সঙ্গে এই প্রতিযোগিতার ছেলেদের মধ্যে সেরা সেরা নাম অর্জন করলো সুজয় সরদার দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে এবং মেয়েদের মধ্যে সেরা সেরা নাম অর্জন করল হুগলি জেলার মানকুন্ডু নিবাসী প্রত্যুষা কোলে।
স্বস্তিক অষ্টাঙ্গ একাডেমীর পরিচালনায় যোগাসনের এটি শুধু প্রতিযোগিতায় ছিল না, পাশাপাশি তাদেরই একাডেমীর ৮ থেকে ৮০ পর্যন্ত সমস্ত বয়সের মায়েরা ও বাবারা, ছেলে এবং মেয়ে উভয় মিলেই যোগের নৃত্য পরিবেশন করে। অদ্ভুত তাদের কলাকুশলী সবকিছু মিলিয়ে একটি রঙিন যৌগিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। গতকাল উত্তর ২৪ পরগনা ব্যারাকপুরের সুকান্ত সদনে একাডেমি এক বিশেষ যোগের আগামী প্রজন্মের জন্য ধারা অব্যাহতি রাখল।