জসীমউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী : গায়েত্রী বসু মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গঠিত নেতাজী অনুরাগী মুক্ত মঞ্চের আহবানে গত বুধবার উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটাস্থিত সুভাষপল্লী ক্লাবের সভাঘরে সুভাষচন্দ্র বসুর আহ্বান করা ঐতিহাসিক " হিজলি দিবস " উদযাপিত হয়। নেতাজী অনুরাগী মুক্ত মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মৈত্রেয়ী বসু বলেন -"এই হিজলি দিবস উদযাপন তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ কারণেই যে, স্বয়ং সুভাষচন্দ্র বসু বলেছিলেন, সারা দেশে আমার আবেদন, প্রতি সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর তারিখ চট্টগ্রাম ও হিজলি দিবস হিসাবে পালন করুন।" তিনি আরো বলেন -'' সম্ভবত সমগ্র দেশে নেতাজী অনুরাগী মুক্ত মঞ্চই হয়তো সর্বপ্রথম নেতাজীর আহ্বান করা এই হিজলি দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে সসম্মানে উদযাপিত করেছে।" এই অনুষ্ঠানে নেতাজীর মর্মর মূর্তিতে মাল্যদান করেন মৈত্রেয়ী বসু, দেশনায়ক নেতাজীকে ' গার্ড অফ অনার ' দিয়ে সম্মান জানান বাঙালি বাহিনীর প্রধান এস. পি. সিং মহাশয়। বক্তব্য রাখেন মৈত্রেয়ী বসু, শ্রীযুক্ত জয়ন্ত দাস এবং এস.পি. সিং প্রমুখ। সংগীত পরিবেশন করেন জয়ন্তী বসু সরকার, পুতুল মজুমদার,সুস্মিতা দেব, শবনম সরকার, তানিয়া সাহা, কুমকুম গোস্বামী, পম্পা সরকার, শুভশ্রী সরকার,দেবাশীষ পাল, শ্রী কল্যাণ। তবলায় সঙ্গত করেন দেবাশীষ পাল এবং অঙ্কিত পাল। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শ্রীযুক্ত দিলীপ সরকার।নেতাজী অনুরাগী মুক্ত মঞ্চের একমাত্র উদ্দেশ্য হল, নেতাজীর প্রতিটি আহ্বান, বক্তব্য এবং উন্নত চিন্তাধারাকে যথাযোগ্য সম্মানে পালন করা এবং সর্বত্র বিস্তার করা।
ভারতে এই প্রথমবার চট্টগ্রাম হিজলি দিবস উদযাপন হল
গায়েত্রী বসু মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গঠিত নেতাজী অনুরাগী মুক্ত মঞ্চের আহবানে গত বুধবার উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটাস্থিত সুভাষপল্লী ক্লাবের সভাঘরে সুভাষচন্দ্র বসুর আহ্বান করা ঐতিহাসিক " হিজলি দিবস " উদযাপিত হয়।