সঞ্জয় কুমার দোলুই , হরলিকসের প্রতিটি কাপে পাবেন ২৪ গ্রাম ফারমেনটেড ইস্ট প্রোটিন এবং ৪ গ্রাম প্রিবোয়িটক ফাইবার। নতুন, একবারই সার্ভ করা যাবে এমন প্যাকেট তৈরি করা হয়েছে যাতে প্রতিদিনের কাজকর্মে আরও বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়।প্রোটিন এখন আর কেবল জিম বা শরীরচর্চার রুটিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; উপভোক্তারা ক্রমশ প্রোটিনকে তাদের দৈনন্দিন পুষ্টির অংশ করে তুলতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এখন জীবনযাত্রায় বাড়ছে ব্যস্ততার চাপ। ফলে প্রোটিনের চাহিদা সম্পর্কে সচেতনতাও বাড়ছে। এতে গুণমানসম্মত পুষ্টির প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে যা দৈনন্দিন রুটিনের সাথে সহজেই মানিয়ে নিতে পারে।
এই পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে হরলিক্স বাজারে এনেছে ‘হরলিক্স প্রোটিন পাউডার’; এর লক্ষ্য হলো উন্নত মানের প্রোটিনকে সহজলভ্য করে তোলা এবং তাকে সহজে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সমন্বিত করে তোলা।হরলিকস প্রোটিন পাউডারের প্রতিটি কাপে রয়েছে ২৪ গ্রাম প্রোটিন এবং ৪ গ্রাম প্রিবায়োটিক ফাইবার।
এটি রয়েছে সুবিধাজনক স্যাশেতে যা একবারই সার্ভ করা যাবে। এটা তৈরি করা হয়েছে কর্মব্যস্ত, কাজের জন্য ঘুরে বেড়াতে হয় এবং যারা সারাদিন দৌড়ে বেড়ান তাদের জন্য।হরলিক্স প্রোটিন পাউডার বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে একটা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এর কেন্দ্রে রয়েছে হরলিক্স এবং রয়েছে এই ভাবনা যে ‘আপনার কাজের দিনটাই আপনার আসল ওয়ার্কআউট’। এখানে সামনে আনা হয়েছে সেই সব অভিজ্ঞতাকে যেখানে দৈনন্দিন পুষ্টির সঙ্গে প্রতিদিনের চলাফেরা যুক্ত রয়েছে। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন সমীরা রেড্ডি। মাতৃত্ব, কর্মজীবন ও সংসারের দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে তিনি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। ওই অনুষ্ঠানে অতিথিরা হরলিক্স প্রোটিন পাউডারের চকলেট, কফি এবং ফ্লেভারবিহীন ভ্যারিয়েন্টগুলো চেখে দেখার সুযোগ পান।
এই অনুষ্ঠানে প্রোটিন-ভিত্তিক খাবার এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপে যে চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে, এ দুয়ের মধ্যেকার সম্পর্কও তুলে ধরা হয়। এর ফলে এই ধারণা আরও শক্তিশালী হয় যে, দৈনন্দিন রুটিনও শারীরিক ওয়ার্কআউটের মতোই শ্রমসাধ্য।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর, ফুডস, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার লিমিটেড, বলেন, “হরলিক্সের ঐতিহ্য ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো, যা গড়ে উঠেছে শক্তিশালী বিজ্ঞান এবং পুষ্টির মানের ওপর ভিত্তি করে'।