সৌমী মন্ডল, বাঁকুড়া: রাঢ় বাংলার বাঁকুড়া শহরের উপকণ্ঠে তারকেশ্বর নদীর তীরে লোকপুরে অবস্থিত উন্নত মানের চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র আলোলিকা চক্ষু হাসপাতাল। এই হাসপাতালের প্রাণপুরুষ তথা বিশিষ্ট চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনুপ মন্ডল এক সাক্ষাৎকারে গর্বের সাথে জানালেন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম—এই সমস্ত জেলার মধ্যে প্রথম এবং একমাত্র চক্ষু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান যা পূর্ণাঙ্গ (Full) NABH Accreditation অর্জন করলো *Alolika Hospitex & Research Centre Private Limited!!*
এটি কোনো সাধারণ স্বীকৃতি নয়; এটি আমাদের হাসপাতালের উন্নত পরিকাঠামো, নিখুঁত ক্লিনিক্যাল প্রোটোকল, কঠোর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আন্তর্জাতিক মানের প্রতি জাতীয় স্বীকৃতি। রাঢ় বাংলার মাটিতে অনেক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানই স্বীকৃতি পেয়েছে, কিন্তু ! এই প্রথম কোনো সুপার স্পেশালিটি আই হাসপাতাল হিসেবে পূর্ণাঙ্গ এনএবিএইচ (NABH) মানদণ্ড সফলভাবে পূরণ করে এই অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাল আপনাদের আলোলিকা !
এই বিশাল প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য প্রমাণ করে যে গুণগত মান ও আস্থার জায়গায় আমরা আপোষহীন। আমাদের দক্ষ চিকিৎসক দল, অভিজ্ঞ কর্মী এবং আপনাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস, আমাদের এই ইতিহাস গড়ার শক্তি দিয়েছে। রাঢ় বাংলার প্রতিটি মানুষের সান্নিধ্যে বিশ্বমানের চোখের চিকিৎসা পৌঁছে দিতে আমরা আজ আরো অঙ্গীকারবদ্ধ হলাম।
এক প্রশ্নের উত্তরে ডাঃ অনুপ মণ্ডল বলেন প্রতি মাসে ২০০থেকে ২৫০ জন দুস্থ মানুষের বিনামূল্যে চক্ষুছানি অপারেশন করা হয়। এছাড়া প্রতিদিন এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের কর্মীরা জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে বিনামুলে চক্ষু পরীক্ষা শিবির করে চলেছেন। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকাতে আমাদের কর্মীরা প্রতিমাসে গিয়ে শিবির করে থাকেন। এবং সেখানে চিহ্নিত হওয়া চক্ষু ছানি পড়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়। অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে যখন ছানি অপারেশন করা হয়।
আলোলিকা হাসপাতালে চোখ দেখাতে আসা পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের বাসিন্দা ভবানী মাহাতো ,মানসিং মাহাতো, সর্বানি মাহাতোরা বলেন আমরা অনেক জায়গায় ডাক্তার দেখিয়েছি কিন্তু ভালো হয়নি এখানে এসেছিলাম ডাক্তারবাবু মনোযোগ দিয়ে দেখলেন এবং আমাদের বলেছেন বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করে দেবেন আমরা অত্যন্ত খুশি ডাক্তার বাবুর ব্যবহারে। বাঁকুড়া শহর থেকে অনেকটা দূরে বাড়ি আগামী দিনে এসে স্থানীয় অপারেশন করে যাব।