মোল্লা জসিমউদ্দিন, সোমবার আগামী পুরভোট সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে, -'ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট মেশিনগুলি থেকে সংগৃহীত বা পোলিং ডেটা আলাদা করে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করে রাখা সম্ভব কি না? এবং আইনগতভাবে তা করা যায় কি না? তা নির্বাচন কমিশনকে নির্দিষ্ট হলফনামার মাধ্যমে আদালত কে জানাতে হবে।' উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রকাশ খুব তাড়াতাড়ি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। সেই অনুযায়ী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটগ্রহণ এবং ডিসেম্বরের শুরুতেই ফল ঘোষণার প্রাথমিক রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রথম দফায় যে সাতটি পুরসভায় ভোট করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেগুলি হল - কলকাতা হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং। এই সবক'টি পুরসভা মিলিয়ে ৬, হাজারের বেশি টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। প্রশাসনিক তোড়জোড় ইতিধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে ২১ হাজার ১৮৪টি ব্যালট ইউনিট রয়েছে। কন্ট্রোল ইউনিট রয়েছে ১৯ হাজার ৫৬৪টি।বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার অন্তত ১৫টি পুরসভায় কোনও নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক নিয়োগ করেই আপাতত নাগরিক পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে নজিরবিহীন পরিস্থিতি হাওড়া পুরসভায়, যেখানে গত ১৩ বছর ধরে কোনও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। হাওড়ায় শেষ পুরভোট হয়েছিল ২০১৩ সালে এবং ২০১৮ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে সেখানে নির্বাচিত বোর্ড নেই।
৭ টি পুরসভার ভোট হবে। তার আগে রাজ্যের কাছে পর্যাপ্ত ইভিএম ও ভিভিপ্যাট মেশিন না থাকায় এক প্রশাসনিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এই সংক্রান্ত মামলায় সোমবার নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি। নির্বাচনের আগে ইভিএমের জোগান এবং পুরনো যন্ত্রের তথ্য সংরক্ষণ বিষয়ে আদালত কি অবস্থান নেয়,তার দিকে তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।