রোটারি ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক ইমেজ কমিটি, চেয়ারম্যান শুভজিৎ রায়ের নেতৃত্বে, ২০২৬ সালে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপ্তির জন্য সেতার (সন্তুর) সম্রাট পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্যকে সংবর্ধনা জানায়।
পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য ভারতরত্ন পণ্ডিত রবিশঙ্করের শিষ্য এবং মৈহার ঘরানার সন্তুরবাদনের এক বিশিষ্ট সাধক। তিনি সন্তুরে ‘মেনকা’ উদ্ভাবন করেছেন এবং চার দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করতে নিরলস সাধনা করে চলেছেন। তিনি তানসেন পুরস্কার এবং সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কারেও সম্মানিত হয়েছেন।
তরুণ ভট্টাচার্য রোটারির পোলিও নির্মূল কর্মসূচির বৈশ্বিক দূত হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা প্রসারে সক্রিয়। তাঁর সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে চক্ষু ও হৃদরোগ অস্ত্রোপচার, শিক্ষা এবং থ্যালাসেমিয়া চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহে একাধিক সঙ্গীতানুষ্ঠান আয়োজন।
রোটারি তাঁর এই অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়ে কলকাতা প্রেস ক্লাবে তাঁকে সংবর্ধিত করে। একই অনুষ্ঠানে কলকাতা প্রেস ক্লাবও পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্যকে বিশেষ সম্মান প্রদান করে।
নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। রোটারি আমাকে পোলিও নির্মূল ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতার মতো মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারে অনুপ্রাণিত করে।”
রোটারির পক্ষ থেকে শুভজিৎ রায় মানবকল্যাণমূলক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পণ্ডিত তরুণ ভট্টাচার্যের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং বলেন, তাঁর সঙ্গীত সাধনার উৎকর্ষের পাশাপাশি তিনি দাতব্য কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
ছবিতে (বাঁ দিক থেকে): রাজেন্দ্র খান্ডেলওয়াল, তরুণ ভট্টাচার্য, শ্যামশ্রী সেন ও শুভজিৎ রায়।