বাঁকুড়ার রাইপুরের কালাশোল গ্রামে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত প্রায় ২৫ জন। প্রশাসনের তৎপরতায় স্বস্তি গ্রামবাসীদের।
সাধন মন্ডল, বাঁকুড়া: জঙ্গলমহলের রাইপুর ব্লকের শ্যামসুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালাসোল গ্রামে পায়খানা বমি (ডায়রিয়াতে) আক্রান্ত কুড়ি থেকে পঁচিশ জন মানুষ। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে রাইপুর বিডিও উদয়নারায়ন দে এবং শ্যামসুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিনু সেন উপপ্রধান প্রসাদ নামাতা গ্রামে যান । আক্রান্তদের আক্রান্তদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়।
আজ শুক্রবার ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে রাইপুর গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসকের একটি দল সেখানে গিয়ে শতাধিক মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা করেন আগামী কালও শিবির চলবে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়। শ্যামসুন্দরপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অজিতাভ মাহাতো বলেন প্রাথমিকভাবে জানা যায় স্থানীয় একটি সাবমারসিবল এর জল যারা খাচ্ছিলেন তারাই আক্রান্ত হয়েছেন সেটির জল খেতে বারণ করা হয়েছে। ওই গ্রামের সমস্ত পানীয় জলের নলকূপ ও সাবমারসিবল গুলির জল পরীক্ষা করা হচ্ছে। আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে, পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক চণ্ডী বাগ বলেন পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
বিডিও উদয়নারায়ন দে বলেন ঘটনার খবর পেয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে আজ ও আগামীকাল এই দুইদিন ধরে ওই গ্রামে গ্রামবাসীদের নিয়ে চিকিৎসা শিবির চলছে ।আজ শতাধিক মানুষের চিকিৎসা করা হয়েছে। ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত ফকির মাহাতো, অঞ্জন মাহাতো, দুলাল মাহাতো, নমিতা মাহাতো রা বলেন কয়েকদিন ধরেই পায়খানা ও বমি হচ্ছে দুশ্চিন্তায় পড়ে ছিলাম প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তুলে ধরতেই রায়পুর ব্লক প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে।
আজ গ্রামের আটচালায় স্বাস্থ্য শিবির শুরু হয়েছেঅনেকের রক্ত পরীক্ষা সহ চিকিৎসা হয়েছে আগামীকাল বাকিদের হবে বলে ডাক্তার বাবুরা জানিয়েছেন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম এখন ভয় কেটেছে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি পানীয় জলের থেকেই এই সমস্যা হয়েছে। আমরা সেই কল বাদ দিয়ে অন্যত্র পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছি। গ্রামবাসীরা বিডিও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ স্বাস্থ্য দপ্তরের ডাক্তার বাবুদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।