পড়াশোনার মান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সহ বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রনী ভূমিকা পালন বীরভূমের বড়রা হরিজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
সেখ রিয়াজুদ্দিন, বীরভূম : মনোমুগ্ধকর পরিবেশ, বিভিন্ন মনিষীদের ছবি, স্মরনীয় দিন, জরুরি ফোন নম্বর, ফুলগাছ, সবজি বাগান, ভেষজ বাগান ইত্যাদির সম্ভারে সজ্জিত খয়রাসোল ব্লকের বড়রা হরিজন প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের গেটে ঢুকতেই চোখে পড়বে সমস্ত কিছু চিত্র।লেখাপড়ার পাশাপাশি সমাজসচেতন বা পরিবেশপ্রেমী, বাস্তবমুখী হিসাবে গড়ে ওঠা ছেলেমেয়েদের পড়াশুনোর একটা অঙ্গ।বচনাবলী থেকে শোনা যায় শিশু ও ফুলগাছ যারা ভালোবাসে তাদের মন নাকি সরল হয়।খয়রাশোল ব্লকের কাঁকড়তলা থানার বড়রা হরিজন প্রাথমিক বিদ্যালয়।কচিকাঁচা ছাত্রছাত্রী রয়েছে মোট ২৬৫ জন।বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা মিলল নানান ধরনের নানা রং এর ফুলগাছে সুসজ্জিত বিদ্যালয়টি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উজ্জ্বল হক কাদেরী জানালেন, “কচিকাঁচাদের লেখাপড়ার সাথে সাথে পরিবেশপ্রেমী করে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য”।তিনি আরও জানান, “কচিকাঁচারা বয়সে ছোটো হলেও গাছের পরিচর্যার বিষয়ে তারা সকলেই সচেতন।একটা ফুলও তারা নষ্ট করে না”।সচরাচরএত সুন্দরভাবে সাজানো গোছানো প্রাথমিক বিদ্যালয় খুব একটা চোখে পড়ে না। সম্প্রতি স্থানীয় একটি মেলা ঘুরে দেখানোর আয়োজন করা হয়। এরফলে তাদের আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ পায়। পাশাপাশি পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। পড়ুয়াদের অভিভাবক মহলেও খুশির হাওয়া। স্কুলের অভিভাবক মিটিং এ উপস্থিত হয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্থানীয় বড়রা গ্রামে পঞ্চায়েতর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের অর্থানুকুল্যেও বিদ্যালয় সেজে উঠেছে। পড়ুয়াদের সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য তবলা হারমোনিয়াম সাউন্ড সিস্টেম কেনা হয়েছে বিদ্যালয়ের তরফে।
সর্বশেষে কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কথায়-“এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার”।কবির অঙ্গীকার এখানে কচিকাঁচাদের মধ্যে পালনের চিত্র শিক্ষকদের মধ্যে লক্ষনীয়।